আমের জাদুঘর বানাচ্ছে ভারত

কথায় বলে ফলের রাজা আম। আম পছন্দ করে না এমন মানুষ উপমহাদেশে খুঁজে পাওয়া ভার। এটি কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এর পুষ্টিমানও কিন্তু কম নয়। আমের রয়েছে নানা প্রজাতি। আর এদিক দিয়ে বেশ এগিয়ে ভারত। সেখানে নাকি প্রায় ৩৫ প্রজাতির আম আছে। এ কারণেই ভারতের জাতীয় ফল আম। এবার এই ফলের বাজার প্রসার ও গবেষণার জন্য আমের জাদুঘর তৈরি করছে ভারত।

ব্যতিক্রমী এই জাদুঘরটি তৈরি হবে লখনৌ শহরের রেহমানখেরা কাকরি ব্লকের সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর সাবট্রপিকাল হর্টিকালচার (সিআইএসএইচ) কার্যালয়ে। এবার আমের মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই শেষ হবে এই জাদুঘর নির্মাণের কাজ। সূত্র- গালফ নিউজ

এই জাদুঘর তৈরির উদ্দেশ্য হচ্ছে লোকজনকে নানা জাতের আমের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি ফলটির ঔষধি গুণ ও ইতিহাসসহ নানা বিষয় তুলে ধরা হবে দর্শণার্থীদের কাছে।

এ সম্পর্কে সিআইএসএইচ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শৈলেন্দ্র রাজন বলেন, ‘এই জাদুঘরে একসাথে ৮ শতাধিক দর্শণার্থী প্রবেশ করতে পারবেন। এখানে সব জাতের আমের ওপর থাকবে আকর্ষণীয় সচিত্র বর্ণনা। কেবল ভারতীয় নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির আম সম্পর্কেও নানা তথ্য থাকবে।’

ভারতে নানা জাতের আম থাকলেও মৌসুম শেষে কিন্তু সেসব দেখার সুযোগ মেলে না। আর এ কারণে তৈরি হচ্ছে এই জাদুঘর। এখানে সারা বছরই নানা জাতের আমের দেখা মিলবে। পাশপাশি বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই ফলটির নানা প্রজাতির ওপর।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আম অত্যন্ত উপকারি একটি ফল। এতে রয়েছে নির্দিষ্ট অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক বায়োঅ্যাকটিভ উপাদান। এছাড়া এর মধ্যে এমন কয়েকটিকে উপাদান পাওয়া গেছে যা মানব দেহে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে বলে জানা গেছে।’

জাদুঘরে আমের বিভিন্ন ওষধি গুণাবলীর বিস্তারিত বর্ণনা সমৃদ্ধ ডাটাবেস থাকবে। থাকবে আম থেকে প্রস্তুতকৃত গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের বিবরণ এবং ফলের রাজার পুষ্টিমান সম্পর্কেও দর্শণার্থীদের ধারণা দেয়া হবে।

ওমেন্স নিউজ ডেস্ক/